ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি প্রকাশ করলেন বিজ্ঞানীরা, কেমন দেখতে দেখে নিন নিজের চোখে

ব্ল্যাক হোলের প্রথম ছবি প্রকাশ করলেন বিজ্ঞানীরা, কেমন দেখতে দেখে নিন নিজের চোখে

Spread the love
  • 120
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    120
    Shares

বঙ্গভূমি ফেসবুক পেজটি লাইক করুন

ব্ল্যাক হোল বা কৃষগহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশ করেছেন জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা। ১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে সকালে ব্ল্যাক হোলের এই ছবি বিশ্বের কাছে প্রকাশ করা হয়। যে ছবি এতদিন পর্যন্ত মানুষের ধারণার সম্পূর্ণ বিপরীত।

সকল খবর সবার আগে পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন

দুটি ব্লাকহোলকে লক্ষ্য করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন গবেষকরা। যার মধ্যে স্যাগিটারিয়াসের দূরত্ব পৃথিবী থেকে ২৬ হাজার আলোকবর্ষ। স্যাগিটারিয়াস সূর্যের চেয়ে ৪০ লাখ গুণ বড়। অপরটির নাম ‘এম ৮৭’। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব ৫০০ মিলিয়ন ট্রিলিয়ন কিলোমিটার। সূর্যের তুলনায় এর ভর ৬.৫ মিলিয়ন গুন বেশি।

‘ব্ল্যাক হোল’-এর প্রথম ছবি প্রকাশ করলেন বিজ্ঞানীরা

কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তোলার কাজটি করেছে ইভেন্ট হরাইজ্ন টেলিস্কোপ (ইএইচটি)। যা বানানো হয় পৃথিবীর ৮টি স্থানে বসানো অত্যন্ত শক্তিশালী ৮টি রেডিও টেলিস্কোপের নেটওয়ার্ক দিয়ে। সেই রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলা। এই কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে।

পৃথিবীর ৮টি স্থানে বসানো অত্যন্ত শক্তিশালী ৮টি রেডিও টেলিস্কোপের নেটওয়ার্ক
পৃথিবীর ৮টি স্থানে বসানো অত্যন্ত শক্তিশালী ৮টি রেডিও টেলিস্কোপের নেটওয়ার্ক

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির ব্ল্যাকহোল বিশেষজ্ঞ পল ম্যাকনামারা বলেন, “আজ থেকে ৫০ বছর আগে আমাদের ছায়াপথে ভীষণ উজ্জ্বল একটা বস্তুর সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। এর শক্তিশালী মহাকর্ষীয় টান নক্ষত্রগুলোকে নিজ কক্ষপথ কেন্দ্র করে খুব দ্রুতবেগে ঘুরতে বাধ্য করে, যে মাত্র ২০ বছরেই কক্ষপথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব হয়। যেখানে মিল্কিওয়ের কেন্দ্রে কক্ষপথ পার হতে সৌরমন্ডলের সময় লাগে প্রায় ২৩০ মিলিয়ন বছর।”

‘ব্ল্যাক হোল’-এর প্রথম ছবি প্রকাশ করলেন বিজ্ঞানীরা
‘ব্ল্যাক হোল’-এর প্রথম ছবি প্রকাশ করলেন বিজ্ঞানীরা

ওই গবেষক বলেন, ব্ল্যাকহোলকে ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্ন’ বলা হয়। কারণ সেখান থেকে আর কোন কিছুই ফেরত আসতে পারে না।

গবেষণার প্রধান অধ্যাপক হেইনকো ফালকে জানিয়েছেন, এই ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তার মাপ গোটা সৌরজগতের থেকে বড়।ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি কালো ব্ল্যাক হোল। যার চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে পেলাব জ্যোতি। ফালকে জানান, ব্ল্যাকহোলের দিকে ধাবিত অতিউত্তপ্ত গ্যাসের থেকে বেরোচ্ছে ওই জ্যোতি। যার ঔজ্জ্বল্য ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত তারা ও গ্যালাক্সির সমবেশের থেকেও বেশি। তাই এত দূর থেকেও ব্ল্যাক হোলটিকে দেখা যাচ্ছে।

ব্ল্যাক হোলের এই ছবি শিল্পীদের কল্পনা ও চলচ্চিত্র পরিচালকদের ভাবনার সঙ্গে অনেকটাই মিলে গিয়েছে। ব্রহ্মাণ্ডের দূরতম স্থানে ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলার সাফল্য মহাকাশবিজ্ঞানকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

‘ব্ল্যাক হোল’-এর প্রথম ছবি প্রকাশের সময়কার ভিডিও দেখুন

সকল খবর সবার আগে পাওয়ার জন্য আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন


বঙ্গভূমি ফেসবুক পেজটি লাইক করুন

Spread the love
  • 120
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    120
    Shares

Leave a Reply